• বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:১৭ পূর্বাহ্ন
Headline
জগন্নাথপুরের নিখোঁজ হওয়া যুক্তরাজ্য প্রবাসীর মরদেহ জকিগঞ্জের হাওড় থেকে উদ্ধার তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ সংসদে পাস করে আইনে রূপান্তর করা জরুরী, নারী মৈত্রীর মতবিনিময় সভায় বক্তৃতারা মোবাইল ব্যাংকিং সীমাবদ্ধতার ঘোষণায় আপত্তি, সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি-বুলুর কবিতা: ঋণ ডিমলার শোভানগঞ্জ গ্রামে নিজের গাছ নিজে কেটে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর পাঁয়তারা ক্ষমতা ও অন্ধকারের এক নীল নকশা: ‘এপস্টিন ফাইল’ এবং আধুনিক যুগের সবচেয়ে বড় ইনসাইডার স্টোরি নওগাঁর মহাদেবপুরে ট্রাকচাপায় একই পরিবারেরসহ পাঁচজনের মর্মান্তিক মৃত্যু এলাকাজুড়ে শোক, স্বজনদের আহাজারিতে ভারী পরিবেশ ডিমলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেড়ে গাছ কেটে মিথ্যা অভিযোগ দিলো থানায় প্রতিপক্ষরা খেজুর গাছ প্রতীক হস্তান্তর ডোমার–ডিমলায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান তারেক রহমানের কবিতা: অযথা

অহংকার নয়, প্রয়োজন সংলাপ

তুফান ইনিস্টিউট / ৩৩ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২৬

লেখক: সাবিত রিজওয়ান

আসাদুজ্জামান খান মকুলের সঙ্গে আমার কোনো ব্যক্তিগত পরিচয় নেই। তিনি নিজেকে কীভাবে উপস্থাপন করেন বা কীভাবে ভাবেন, সেটিও আমার অজানা। তবে গত বছর কয়েকবার মেসেঞ্জারে তাঁকে নক দিয়েছিলাম। উদ্দেশ্য ছিল খুব সাধারণ। আমি কবিতায় নিজেকে খুব দক্ষ মনে করি না, তাই একজন নিয়মিত প্রকাশিত কবির কাছ থেকে কিছু ধারণা বা দিকনির্দেশনা পাওয়ার আশায় যোগাযোগ করেছিলাম। কিন্তু দুঃখজনকভাবে তিনি কোনোবারই সাড়া দেননি।

আমি দেখেছি, তাঁর কবিতা বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। একজন নবীন বা অনুশীলনরত লেখকের কাছে এটি স্বাভাবিকভাবেই আগ্রহের বিষয়। আরও শিখতে চাই, আরও জানতে চাই, এই চাওয়াটুকুই ছিল আমার। অথচ সেই দরজাটুকু বন্ধই রয়ে গেল।

এর মধ্যেই একটি বিষয় আমাকে ভাবিয়েছে। ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি “শতফুল তরুণ লেখক ফোরাম”-এর মেসেঞ্জার গ্রুপে একটি ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা কার্ড শেয়ার করা হয়, যেখানে তাঁর নাম ও পরিচয় যুক্ত ছিল। কার্ডটিতে বাংলায় কিছু অক্ষর ছিল অস্পষ্ট ও বিকৃত। লেখা ছিল—

“শুভ নববর্ষ 2026”

“নতুন বছর সকলের জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল সুখ শান্তি!”

নিচে পরিচয়: “আসাদুজ্জামান খান — শিক্ষক, কবি ও ছড়াকার”।

কার্ডটি দেখেই আমার মনে হয়েছে, এটি এআই-এর মাধ্যমে তৈরি হতে পারে। এমন ধারণা যে কেউ দেখলেই করতে পারে। আমি নিশ্চিত দাবি করছি না, সন্দেহের কথাই বলছি। বর্তমান সময়ে লেখালেখিতে এআই ব্যবহার হচ্ছে, সেটি অস্বীকার করার উপায় নেই। তবে প্রশ্ন হলো, ব্যবহার যদি করাও হয়, সেখানে স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা কতটুকু রাখা হচ্ছে?

এই লেখাটি লিখতে গিয়ে আমি ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি, কারণ ব্যক্তিগতভাবে কাউকে আঘাত দেওয়ার ইচ্ছা আমার নেই। কিন্তু একজন লেখক হিসেবে, বিশেষ করে যিনি নিজেকে শিক্ষক ও কবি হিসেবে পরিচয় দেন, তাঁর কাছ থেকে অন্তত সংলাপের মানসিকতা প্রত্যাশা করা যায়। নবীনদের প্রশ্ন বা আগ্রহকে উপেক্ষা না করাই তো লেখালেখির সংস্কৃতি।

সবশেষে শুধু এটুকুই বলতে চাই—অহংকার নয়, লেখালেখির জগতে প্রয়োজন পারস্পরিক শ্রদ্ধা, খোলা মন আর সংলাপ। তাহলেই সাহিত্য আরও সমৃদ্ধ হবে, আরও মানবিক হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category

সমাজচেতনা ফাউন্ডেশনের প্রচারণা

bdit.com.bd