• শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ০১:৫২ পূর্বাহ্ন

কবিতা: ক্ষত বিক্ষত আয়না

Sabit Rizwan / ২৮৫০ Time View
Update : শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

জনি সিদ্দিক

রক্তের গন্ধ ভেসে আসে ভাঙা দেয়ালের ফাঁক দিয়ে,
শিশুর কান্না ডুবে যায় ট্যাংকের গর্জনে।
আকাশে ঝুলে থাকে ধোঁয়ার কালো পতাকা—
মানবতার মশাল নিভে যায় চোখের সামনেই।
বোমার বিস্ফোরণে বাতাসে উড়ে মানুষের লাশ!
কেউবা ড্রোন দিয়ে লাশের উন্মাদনায় মেতে ওঠে।
ক্ষুধার হাহাকার লুকোতে চায় না—
মায়ের শুকনো বুকে শিশুর নিস্তব্ধ ঠোঁট,
চোখে ভেসে ওঠে প্রশ্ন—
কেন পৃথিবী এত অন্ধ, এত নির্বাক?

জাতিসংঘের হলঘরে ভাসে কেবল শব্দ,
কাগজের মতো হালকা প্রতিশ্রুতির শ্বাস।
ক্ষমতার প্রাচীরে ঠেকে যায় বিবেক—ভাঙে না শৃঙ্খল, জাগে না করুণা।

গাজা—একটি নাম নয় শুধু,
একটি ক্ষত, একটি রক্তাক্ত আয়না—
যেখানে আমরা দেখি নিজেদের হারানো মানবতা।
কবে উঠবে সেই প্রশ্ন,
যা আর নীরব থাকবে না?কবে খুলবে সেই চোখ,
যা সত্যকে ঢেকে রাখে ইচ্ছাকৃত অন্ধকারে?
আজ, এই মুহূর্তে— মানবতা বন্দি, শ্বাসরুদ্ধ, ক্ষতবিক্ষত।
তবু আশার আলো জ্বলে—
একদিন ফিরে আসবে নুরুদ্দিন, সালাহউদ্দিন,
বুকে থাকবে কুদস জয়ের অদম্য আগ্রহ ।
নেশা থাকবে দীর্ঘদিন পর প্রিয়তমার সাথে মিলনের বাসনার মতো।
আর চিৎকার করে বলবে—
“আমি এসে গেছি প্রিয় কুদস, এই নীরবতা, আর নয়!”


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category

সমাজচেতনা ফাউন্ডেশনের প্রচারণা

bdit.com.bd