• বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:১৫ পূর্বাহ্ন
Headline
জগন্নাথপুরের নিখোঁজ হওয়া যুক্তরাজ্য প্রবাসীর মরদেহ জকিগঞ্জের হাওড় থেকে উদ্ধার তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ সংসদে পাস করে আইনে রূপান্তর করা জরুরী, নারী মৈত্রীর মতবিনিময় সভায় বক্তৃতারা মোবাইল ব্যাংকিং সীমাবদ্ধতার ঘোষণায় আপত্তি, সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি-বুলুর কবিতা: ঋণ ডিমলার শোভানগঞ্জ গ্রামে নিজের গাছ নিজে কেটে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর পাঁয়তারা ক্ষমতা ও অন্ধকারের এক নীল নকশা: ‘এপস্টিন ফাইল’ এবং আধুনিক যুগের সবচেয়ে বড় ইনসাইডার স্টোরি নওগাঁর মহাদেবপুরে ট্রাকচাপায় একই পরিবারেরসহ পাঁচজনের মর্মান্তিক মৃত্যু এলাকাজুড়ে শোক, স্বজনদের আহাজারিতে ভারী পরিবেশ ডিমলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেড়ে গাছ কেটে মিথ্যা অভিযোগ দিলো থানায় প্রতিপক্ষরা খেজুর গাছ প্রতীক হস্তান্তর ডোমার–ডিমলায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান তারেক রহমানের কবিতা: অযথা

জনমানুষের আস্থায় মোঃ রেজন মিয়া ও ‘দৈনিক জনকামনা’র পথচলা

তুফান ইনিস্টিউট / ৪৫ Time View
Update : শনিবার, ৩ জানুয়ারী, ২০২৬

কলমে: আব্দুল কাদের

 

দেশের সংবাদপত্রের ইতিহাসে কোনো একটি প্রকাশনাকে কেবল ব্যবসায়িক স্বার্থের ঊর্ধ্বে রেখে গণমানুষের প্রকৃত কণ্ঠস্বর হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা অত্যন্ত দুরূহ একটি কাজ। সেই কঠিন চ্যালেঞ্জকে সাহসিকতার সাথে জয় করে ‘দৈনিক জনকামনা’ আজ যে সুদৃঢ় অবস্থানে দাঁড়িয়েছে, তার মূলে রয়েছে এর প্রতিষ্ঠাতা মোঃ রেজন মিয়ার দূরদর্শী চিন্তা, আপসহীন নেতৃত্ব এবং জনকল্যাণের ব্রত।

একটি পত্রিকার নাম যখন রাখা হয় ‘জনকামনা’, তখন তার লক্ষ্য আর অস্পষ্ট থাকে না। মোঃ রেজন মিয়া এই নামকরণের মাধ্যমেই স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন যে, তাঁর লেখনী এবং এই প্রতিষ্ঠান সর্বদা সাধারণ মানুষের মঙ্গল কামনায় নিবেদিত থাকবে। তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করার পাশাপাশি সমাজের অবহেলিত ও বঞ্চিত মানুষের দাবি আদায়ে তিনি এই পত্রিকাকে একটি শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে গড়ে তুলেছেন।

মোঃ রেজন মিয়া কেবল একজন প্রকাশক বা প্রতিষ্ঠাতা নন, বরং তিনি বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার একজন নিভৃতচারী পৃষ্ঠপোষক। বর্তমান সময়ের চটকদার ও হলুদ সাংবাদিকতার ভিড়ে সত্যকে আঁকড়ে ধরে থাকা এক দুঃসাহসিক কাজ হলেও তিনি প্রমাণ করেছেন যে, সততা আর সাহসিকতা থাকলে সীমিত সম্পদের মধ্যেও একটি সংবাদপত্র গণমানুষের পরম আস্থার প্রতীক হয়ে উঠতে পারে। সত্যের সন্ধানে তিনি যেমন কখনো আপস করেননি, তেমনি প্রতিটি সংবাদ পরিবেশনে সামাজিক দায়বদ্ধতাকেও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন।

তাঁর এই কর্মযজ্ঞ কেবল সংবাদ পরিবেশনেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং সংবাদপত্রের মাধ্যমে অসংখ্য সংবাদকর্মীর মেধা বিকাশের সুযোগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে তিনি এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

আজ ‘দৈনিক জনকামনা’ যে জনপ্রিয়তার শিখরে পৌঁছেছে, তার প্রতিটি ধাপে মিশে আছে মোঃ রেজন মিয়ার নিরলস পরিশ্রম ও সুযোগ্য দিকনির্দেশনা। তাঁর প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদপত্রটি দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার এবং ন্যায়ের পক্ষে অবিচল থেকে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, তাঁর নির্দেশিত নীতি ও আদর্শ অনুসরণ করে ‘দৈনিক জনকামনা’ ভবিষ্যতে আরও বহুদূর এগিয়ে যাবে এবং বাংলাদেশের সংবাদপত্রের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল মাইলফলক হয়ে থাকবে।

আমরা এই স্বপ্নদ্রষ্টা প্রতিষ্ঠাতার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করি। তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে ‘জনকামনা’ হয়ে উঠুক আগামীর বদলে যাওয়া বাংলাদেশের এক প্রকৃত ও সাহসী প্রতিচ্ছবি।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category

সমাজচেতনা ফাউন্ডেশনের প্রচারণা

bdit.com.bd