স্টাফ রিপোর্টার, নীলফামারী
ডিমলা উপজেলা বালাপাড়া ইউনিয়নে শোভানগঞ্জ বালাপাড়া গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে রবিউল ইসলাম গং বনাম মজিবুল ইসলাম বাচ্চু গং এর সাথে জমি জমা ও পারিবারিক বিভিন্ন বিষয়ে লইয়া দীর্ঘদিন যাবত বিরোধ শত্রুতা চলিয়া আসিতেছে। জমিরন নেছার বাড়ির গাছ কেটে ফেলার মিথ্যা অভিযোগ দিচ্ছে আমাদের উপর (২৭ জানুয়ারী) মঙ্গলবার সকাল ১০.৩০ মিনিটে আনুমানিক ২০ শতক জমির সজি তুলে নিয়ে যায় মজিবুল ইসলামের পরিবার লোকজন উক্ত জমিতে ১৪৪/১৪৫ ধারা বিজ্ঞ আদালত জারি থাকলেও পেশি শক্তির মাধ্যমে বিভিন্ন রবি শস্য লাগাচ্ছে। অন্য খন্ডে ১৫ শতক জমির মধ্যে আমরা আমন ধান রোপন করলেও ভয়-ভীতির কারণে কাঁটতে পারছিনা।
স্থানীয় সংবাদকর্মীকে রবিউল ইসলামের পরিবার সূত্রে জানা যায় ওই জমিটি সাবেক এসএ খতিয়ান নং২৬৬ বিএস খতিয়ান নং ৪২২, ১৫৪৭ দাগে ৪২ শতক ১৫৪৮ দাগে ৫৯ শতক মোট ১০১ শতক এর মধ্যে ৯৯ নালিশি বিত্ত জমি গত ১২/০৯/২০৬১ সালে ৫৩০৩ নং দলিল মূলে রবিউল ইসলাম এর পিতা মৃত হাছির উদ্দিন,মৃত হামির উদ্দিন পুত্র হোছেন আলী নিকট হতে ক্রয় করেন। আমি বিষয়টি স্থানীয় মহৎ প্রধানদের মাধ্যমে আপস মীমাংসার করিতে ব্যর্থ হইয়া ১৬ অক্টোবর ২০২৫ বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নীলফামারী আদালতে
এম আর নং ৫৭২/২৫,নম্বরে ১৪৪ ও ১৪৫ ধারায় ফৌঃ কার্যবিধি মামলা দায়ের পর।কিন্তু হঠাৎ ২৫ অক্টোবর/২৫ মজিবুল ইসলাম বাচ্চু, শহিদুল ইসলাম গাঠু, উভয়ের পিতা মৃত হোছেন আলী, জুয়েল ইসলাম,জমিরন নেছা,ছকিনা বেগম,অমিসা বেগম,জিন্নাতুল বেগম, আলেমা বেগম, আলমগীর ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম সর্বসাং সোভানগঞ্জ বালাপাড়া আরো অজ্ঞাত ১০/১২ জন আমার বাবার ক্রয় কৃত ভোগ দখলি জমিটিতে বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হইয়া অবৈধ ভাবে দখল করে একটি ছাপড়া ঘর তুলে।
গত ৩ নভেম্বর/২৫ আদালতের আদেশ মোতাবেক ডিমলা থানা ওসি কে অবৈধ স্থাপনা ক্রোক করার নির্দেশ প্রদান করেন। বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশনা মোতাবেক ডিমলা থানার এস আই রেজাউল আলম গত ০৭ নভেম্বর/২৫ বিকাল ৩ ঘটিকায় সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে নালিশি বৃত্তে উপস্থিত হইয়া অবৈধ স্থাপনা ক্রোক করার প্রক্রিয়া শুরু করলে প্রতিপক্ষের ৭৩ বছরের নারী জমিরন নেছা তার ছেলে মজিবুল গং ঘটনাস্থলে উপস্থিত হইয়া ধারালো ছোড়া হাতে লইয়া বলে জমির উপর আসলে নিজের প্রতিবন্ধী ছেলেকে জবাই করার হুমকি রবিউলগং ও পুলিশ প্রশাসনকে দেয় এবং সবাই আক্রমণের শিখার হন। তাই পুলিশ প্রশাসন ঘটনাস্থল থেকে ফেরত এসে বিজ্ঞ আদালতে অবৈধ স্থাপনা ক্রোক এর জন্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে একজন বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের দরকার বলে প্রতিবেদন দাখিল করেন।
এই বিষয়ে এলাকাবাসী বলেন মামলার প্রতিপক্ষ প্রতিবেশী একই গ্রামের মুজিবুল ইসলাম গংদের সাথে নীলফামারী আদালতে মামলা চলছে।
মজিবুল ইসলাম বাদী হয়ে আমাদের উপর একটি মিথ্যা মামলা করেন১০৭ ধারা যাহার মামলা নং১০৭/২৫ সেখানে মাস্টার্স পরীক্ষার্থীকে আসামি করানো হয়।মামলাটি মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় মামলাটি প্রথম তারিখ ২২ জানুয়ারী ২০২৬ মামলাটি আদালত খারিজ করে দেন। এখন অবৈধ ভাবে আমাদের জমি জবর দখল করে একটি ছাপড়া ঘর তুলেছে সেই জমির পাশে কয়েকটি ছোট গাছ লাগিয়েছি ওই গাছগুলি নিজেই ভেঙ্গে ফেলে আমাদের উপর মিথ্যা দোষ চাপানোর চেষ্টা চালাচ্ছে।
কিন্তু আমাদের প্রতিপক্ষরা এই জমিগুলো পেশিওশক্তি দিয়ে জোরপূর্বক দখল করার চেষ্টা চালাচ্ছে। তারা আমাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মিথ্যা মামলার হুমকি ধামকি দিচ্ছেন। ৭৩ বছরের জমিরন নেছা বৃদ্ধা মজিবুলের মা কে ওই নির্জন ছাপড়াঘড়ে রাখছেন কখন যে তারা তার বৃদ্ধ মা কে মেরে ফেলে আমাদের মিথ্যা মামলায় অভিযুক্ত করে। ওই জমিতে একটি ছাপড়াঘর রয়েছে ঘরটিতে নিজেই আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দিয়ে আমাদের কে ফাঁসানোর চেষ্টা করিতেছেন। পরিবারের সবাই আমরা আতঙ্কে দিনরাত পার করছি।
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি: আহমেদ হোসাইন ছানু। সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ রেজন মিয়া। লাইব্রেরি: তুফান ইনিস্টিউট। ইমেইল: sabit.rizwan@yahoo.com। কার্যালয়: রংপুর, বাংলাদেশ।
© ২০২৫ সময়প্রবাহ। লেখার দায় লেখকের; স্বত্ব কর্তৃপক্ষের। ভুল বা বিতর্কে কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।