
নারীর কারণে
নারীই গড়াই ঘর প্রেমী পুরুষ দ্বারা,
নারীই প্রণয় ভেঙে করে গৃহ ছাড়া।
নারীর তরেতে নর হয় লক্ষী ছাড়া
অকালেতে তার তরে নর পরে মারা।
নারী করে ত্রুটি বেশি নর হয় দোষী
সেকারণে ভেঙে যায় ভালোবাসা বাসি।
নিশির আঁধারে নর চোর হয় বড়ো
নারী হলো বড়ো চোর তারে গিয়ে ধরো-
নারীর কারণে নর চোর হয়ে যায়
লোকে বলে নারীকে কি জেলেতে মানায়?
নারীর চাপেতে নর বেশি বেশি চাই
বাধ্য হয়ে করে পুরুষ হারাম কামায়।
অথচ হারাম ভাগ নেয় নাকো নারী
মিহীন মোসলিন পড়ে ঘুরে বাড়ি বাড়ি।
শাড়ি পড়ে হরষেতে নারী চিত্ত দোলে
হারাম কামায় করে নর চিত্ত জ্বলে।
একটু জলের কাঙাল
আমি তো অনন্তকাল তোমার চোক্ষু সাগরে
ডুবেছিলাম, তবু বক্ষ কোণের তৃষ্ণার
শীতলতা আসেনি কোনদিন।
আরো ডুবে থাকি আরো ভিজে যায়
তবু শুকনো ঝরঝরে থাকি।
কখনো কখনো মনে হয় আমি গাংচিল যেন
আমার বক্ষ তলে বিশালাকার সমুদ্র জলাধার
তবুও আমি শুকনো ঝরঝরা কেন?
ভিজি না কেন?
নিঃশব্দে এপার ওপার সাঁতরে পাড় হোই
জল, জল আর জল সমুদ্রে কত জল!
জানিনা কত গভীর তোমার চক্ষু সাগর
কখনো কখনো তলদেশ খুঁজি
তলদেশ থাকে তবু লাপাত্তা।
তোমার চক্ষু সাগরে দেখি আজকাল কতো
বালি হাঁস কতো শঙ্খচিল গোপনে সাঁতরে বেড়ায়
কিন্তু আমি
আমি চিরকাল একটু জলের কাঙাল।
আসলে তোমার প্রেমে ধারা বুঝি হেন
লুকিয়ে থাকতে আজ বড়ো ভালো লাগে
পাবোনা যেহেতু তব প্রণয়ের হাত,
অতএব কেটে যাক কেঁদে দিবারাত
তোমার কবিতা পড়ি প্রতিরাত জেগে।
বেশ তো ভালোই আছি রোনাজারি চেপে
লোকেরা নকল হাসি দেখে শুধু মুখে,
তুমিও ভাবছো তাই আছি আমি সুখে
কভু কি দেখেছো তুমি বিরহ টা মেপে?
তোমার কবিতা গুলো বারবার পড়ি
শব্দ গুলো কথা বলে মোর সাথে যেন,
হৃদয়ে রোদন জাগে শুধু কেঁদে মরি
বলোতো প্রাণের সখি এটা হয় কেন?
কাঁদে না কবিতা তব করি রোনাজারি
আসলে তোমার প্রেমে ধারা বুঝি হেন।
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি: আহমেদ হোসাইন ছানু। সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ রেজন মিয়া। লাইব্রেরি: তুফান ইনিস্টিউট। ইমেইল: sabit.rizwan@yahoo.com। কার্যালয়: রংপুর, বাংলাদেশ।
© ২০২৫ সময়প্রবাহ। লেখার দায় লেখকের; স্বত্ব কর্তৃপক্ষের। ভুল বা বিতর্কে কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।