লেখক: কামরুল হাসান কানন
সত্যের পথে চলা আজকের সময়ে সহজ নয়। তবু কিছু মানুষ আছেন, যাঁরা চাপ, প্রভাব কিংবা সুবিধার কাছে নতি স্বীকার করেন না। মোঃ রেজন মিয়া সেই বিরল মানুষদের একজন। তিনি কলমকে ব্যবহার করেছেন দায়িত্ববোধ থেকে, ব্যক্তিগত সুবিধা অর্জনের হাতিয়ার হিসেবে নয়।
তাঁর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত দৈনিক জনকামনা শুরু থেকেই একটি স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছে—জনস্বার্থের পক্ষে থাকা। অল্প সময়ের মধ্যেই এই পোর্টাল প্রমাণ করেছে, নিরপেক্ষতা ও সাহস থাকলে সীমিত সামর্থ্য নিয়েও গণমানুষের কণ্ঠস্বর হওয়া সম্ভব। এখানে চটকদার শিরোনামের চেয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে তথ্যের সত্যতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতায়।
সত্য ও ন্যায়ের প্রশ্নে রেজন মিয়া কখনো আপস করেননি। অসত্য বা বিকৃত তথ্যের বিপরীতে তাঁর অবস্থান বরাবরই স্পষ্ট। নিজে যেমন দায়িত্বশীল কলমচর্চায় বিশ্বাস করেন, তেমনি সহযোদ্ধাদের মাঝেও নৈতিক মানদণ্ড বজায় রাখার প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন। এই দৃঢ়তাই তাঁকে কেবল একজন উদ্যোক্তা নয়, বরং একজন দায়িত্বশীল কলম সৈনিক হিসেবে আলাদা করে চিহ্নিত করেছে।
কলমের বাইরে সমাজের প্রতিও তাঁর দায়বদ্ধতা লক্ষণীয়। সমাজকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে তিনি বিভিন্ন উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। বিশেষ করে সমাজচেতনা ফাউন্ডেশন–এর প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে সামাজিক সচেতনতা তৈরিতে তাঁর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। সভাপতির দায়িত্বে থাকা মাইদুল ভাইয়ের নেতৃত্বে সংগঠনটির কার্যক্রমে রেজন মিয়ার সক্রিয় অংশগ্রহণ ধারাবাহিকতা ও মানবিক দায়বদ্ধতারই প্রতিফলন।
সব মিলিয়ে বলা যায়, মোঃ রেজন মিয়া কলম সৈনিকের ভূমিকাকে পেশা নয়, জনস্বার্থের দায়িত্ব হিসেবে দেখেন। তাঁর নেতৃত্বে দৈনিক জনকামনা কেবল সংবাদ প্রকাশে সীমাবদ্ধ নয়; এটি সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে একটি স্পষ্ট অবস্থান তুলে ধরছে। এই পথচলা অব্যাহত থাকুক—এটাই প্রত্যাশা।