আমার ফুসফুসে বিঁধেছে মর্টার সেল এর স্প্রিন্টার
হৃদপিণ্ডে ফুটে আছে সহস্র শত শত ক্যাকটাসের কাঁটা ।
এটি কোনো কবিতা নয়, এটি সেই আর্তনাদ
যা প্রতিটি ফিলিস্তিনি শিশুর চোখে,
প্রতিটি আরাকানি মায়ের বুকে জমে আছে।
পৃথিবীর মুখ আজ কুৎসিত,
মুখোশ পরা সভ্যতার আড়ালে হিংস্রতা খিলখিলিয়ে হাসে।
তথ্যের সন্ত্রাস আমাদের মগজে হেমলক বিষ ঢালে,
বোমার আঘাতে কাঁপে যন্ত্রণায় বিদগ্ধ পৃথিবীর বুক। কিন্তু হায় কাঁপেনা তবু হিংস্র মানুষের বিবেক!
এসেছিলাম এক সোনালি ভোরের আশায়,
কিন্তু দেখি একদল হায়না অসহায় পথিকের রক্ত পান করে!
হাতে তাদের বিশাল বিশাল বিষাক্ত নখ, আর মুখে হাতির গজ দাঁতের মতো বড় বড় ভেংচি কাটানো দাঁত। মুখ দিয়ে বের হয় ভয় ছড়ানো হিংস্র গর্জন।
গণতন্ত্রের নামে তারা কবর খোঁড়ে,
শান্তির নামে তারা ধ্বংসযজ্ঞ চালায়।
মানুষের লাশ পড়ে থাকে যত্রতত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে ।
আমি আর স্বপ্ন দেখি না,
কারণ স্বপ্নগুলো আজ লাশ হয়ে পড়ে আছে।
আমি আর গান গাই না,
কারণ গানগুলো আজ গুলি আর ট্যাংক- ড্রোনের বিকট শব্দে চাপা পড়ে গেছে।
শুধু দেখি অন্ধকার রাতের শান্ত আকাশের শূন্যতা,
যা ক্রমশ হাঙ্গরের মতো গিলে খাচ্ছে মানবতাকে।
এই অন্ধকার কি কোনোদিন শেষ হবে,
নাকি এটাই আমাদের নিয়তি?
এটাই সেই প্রশ্ন,
যা আমার বিবেক নামক স্বয়ংক্রীয় মেশিন কে জ্বালিয়ে ভস্ম করে দেয় ।
ধন্যবাদান্তে,
জনি সিদ্দিক
বড়াইগ্রাম, নাটোর।