স্টাফ রিপোর্টার:
নীলফামারী-১ (ডোমার–ডিমলা) সংসদীয় আসনে জমিয়ত উলামা ইসলাম বাংলাদেশ-এর মহাসচিব ও বিএনপি জোট মনোনীত প্রার্থী মওলানা মনজুরুল ইসলাম আফেন্দির খেজুর গাজ মার্কার প্রচারণায় উল্লেখযোগ্য জনসমর্থন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। নির্বাচনী প্রচারণায় তার অংশগ্রহণ ও সরাসরি জনগণের সঙ্গে যোগাযোগ স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
গত কয়েকদিন ধরে ডোমার ও ডিমলা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ধারাবাহিকভাবে গণসংযোগ ও প্রচারণা চালাচ্ছেন মওলানা মনজুরুল ইসলাম আফেন্দি। প্রচারণাকালে ধর্মপ্রাণ জনগোষ্ঠীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।অনেক স্থানে সাধারণ ভোটাররা তার বক্তব্য শোনার জন্য ভিড় করছেন এবং জোট প্রার্থীর প্রতি সমর্থন প্রকাশ করছেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, খেজুর গাছ মার্কাকে কেন্দ্র করে নির্বাচনী মাঠে ইতিবাচক সাড়া মিললেও বিএনপি সংগঠনের ডোমার ও ডিমলা উপজেলা পর্যায়ে প্রত্যাশিত মাত্রার সাংগঠনিক তৎপরতা ও সমর্থন দৃশ্যমান নয়।প্রচারণার মাঠে বিএনপি নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ তুলনামূলকভাবে সীমিত বলেও অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের একটি অংশ মনে করছেন, জোটের প্রার্থীর পক্ষে সমন্বিত ও শক্তিশালী মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম না থাকলে নির্বাচনী প্রচারণায় কাঙ্ক্ষিত গতি আসবে না।তাদের মতে, জোটগত রাজনীতির সফলতা নিশ্চিত করতে হলে সংশ্লিষ্ট সব দলের নেতাকর্মীদের আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখা প্রয়োজন।
এলাকাবাসীর অনেকে মনে করছেন, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় জনগণের আস্থা অর্জনে প্রার্থীর ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও দলীয় সংগঠনের সক্রিয়তা সমানভাবে জরুরি।সে কারণে ডোমার ও ডিমলা উপজেলায় জোটের ভেতরে সাংগঠনিক সমন্বয় জোরদারের দাবি উঠেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, ততই মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম ও ঐক্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।এই প্রেক্ষাপটে নীলফামারী-১ আসনে জোটের অভ্যন্তরীণ সমন্বয় ও সাংগঠনিক সক্রিয়তা বাড়ানো না গেলে তা নির্বাচনী কৌশলের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে স্থানীয় দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।