খুশি হনু এতোদিনে
খুশি হনু এতোদিনে তব বাক্য শুনে
শলা সম হলো মম চিত্ত খানি আজ,
আজকাল তুমি নাকি করো যবে কাজ
আমারে তোমার নাকি মনে পরে ক্ষনে।
আমার তরেতে নাকি তব চিত্ত মাঝে
জমেছে খানিক নাকি প্রেম মতো মায়া,
খানিক দেখতে চাও আজ মোর কায়া
কিভাবে কেমন করে আসি তব কাছে ?
তোমার আমার মাঝে দূরত্ব দেয়াল
পূরন হতে দেবেনা বাসনা খেয়াল।
আমিও দেখতে চাই হে সখি তোমায়
কতকাল করি বলো আর অনুভব,
আর কতকাল থাকি তোমার আশায়
তোমাকে পাওয়া হলে পেয়ে যাবো সব।
ফালতু মহিলা শিক্ষক
ফালতু এক মহিলা সে নাকি শিক্ষক
কলংকিত করেছে সে শিক্ষকের মান,
প্রকৃত শিক্ষক যারা আলাদা সম্মান
সে-তো শিক্ষা গুরু নয় সম্মান ভক্ষক।
শিক্ষক মানুষ হয় ফেরেস্তার মতো
নম্র ভদ্র আচরণ সদা থাকে তার,
শীতল মাথায় করে সৎ ব্যবহার
অপরের গায়ে কভু মারে নাকো জুতো।
খতিয়ে দেখুন তার চাকরি অর্জন
ঘুষে ঘুষে পরিপূর্ণ সৎ ভাবে নয়,
তাই তার আচরণ পশুর মতন
তাই তার নৈতিকতা এতো অবক্ষয়।
সৎ আচরণ করে সদায় বর্জন
শিক্ষিত হলেও কভু শিক্ষা গুরু নয়।
আইন করুন জোরদার
যে মায়ের গর্ভে তিন মাসের বাচ্চা
ধর্ষণে মারলো আবু জাহেল কুত্তা।
আবু জাহেল কুত্তারা এত বড় পাপী
ধর্ষণে মেতেছে করে মাতামাতি।
হায়রে পাপীর দল! দেশজুড়ে তোরা
দাপটের সাথে করিস তোরা চলাফেরা।
ক্ষান্ত নোস ধর্ষণে নিয়ে নিস প্রাণ
একদা খতম হবে তোদেরও জান।
আইনী পুলিশ তোদের দিয়ে দেয় ছাড়
হয়না তোদের সাজা ভাঙে নাকো ঘাড়।
আমাদের দেশটাও কেমন যেন
ধর্ষক আইন যেন আত্মীয় হেন।
কেউ কেউ কোনমতে জেলে গেলে পরে
দুদিনেই ছুটে এসে ঘোরাফেরা করে।
এ কেমন দুর্বল দেশের কানুন
আইনেতে ফাঁক কেন এতটা বলুন?
দিন দিন বেড়ে চলে ধর্ষণ হার
আইন চোখে ফাঁকি দিয়ে পেয়ে যায় পার।
ইসলাম মতে যদি আইন হয় দেশে
ধর্ষকের মৃত্যু হবে পালাবেনা ফেসে।
সরকার কে বলি আইন করুন জোরদার
তাহলে ধর্ষক পাবে নাকো ছাড়।
তুমি হীনে ভালো রবো
হাঁটতে যখন হবে একাই হাঁটবো
শ্বাপদসংকুল পথে নির্জন জঙ্গলে,
তুমি হীন একা একা ধরিত্রী ভূগোলে
গহীন জঙ্গলে একা ভালোই থাকবো।
হয়তো তপষী হয়ে দিবারাত্রি তপে:
মত্ত রবো সঙ্গীহীন আমি ভাগাহীন,
কেটে যাবে তাতে করে বিভাবরী দিন
বেড়াবে সামনে মোর খরগোশ সাপে।
আরো সাথী হবে মোর বন্য পশু পাখি
তাদেরকে ঘিরে হবে জীবন আমার,
জীব জন্তু-জানোয়ার হবে সখা সখি
মোরে ঘিরে হবে সখি তাদের সংসার।
করবে সেথায় পাখি সদা ডাকাডাকি
তুমিহীনে ভালো রবে জীবন আমার।।
বৈশাখী ঝড়ে কৃষকের দুঃখ
ভুট্টা ক্ষেতে জল জমে ভুট্টা পরে গেছে
হায়রে কৃষক ভাই হাউ মাউ কাঁদে,
কি দিয়ে কেমন করে হৃদয় টা বাঁধে
ভূট্টাই তো মোটা টাকা কৃষকের কাছে।
সেই ভূট্টা পড়ে গেলে ভূট্টা সব শেষ
ফলন তো কমে যাবে অর্ধেকের বেশি,
কৃষকের মুখে আজ নেই হর্ষ হাসি
কিছু দিন আগেই তো খুশি ছিলো বেশ।
হায়রে বৈশাখী ঝড় তুই দেশে এসে
কৃষকের হৃদে দিলি নিরাশার ছাই,
কৃষক হাটে না আজ মুখে হাসি হেসে
তাদের হৃদয় ভরা দূ:খ কালিমায়।
তাদের অন্তর গেছে দু:খ সনে মিশে,
তাদের হৃদয়ে মারে বিষন্নতা ঘাই।